ত্বকের যত্নে খারদাল – Shorobor
সরোবর, একটি তারামানুষ... অন্তত

ত্বকের যত্নে খারদাল

শরীরের বহিঃরাবরণে সরিষা তেলের ব্যবহারে নানা উপকার আছে।

সরিষা তেল প্রাকৃতিক ফ্যাট সমৃদ্ধ। আর তাই এটি কন্ডিশনার হিসেবে খুবই ভালো। ১০০ গ্রাম সরিষা তেলে রয়েছে –
• ৫৯ গ্রাম monounsaturated ফ্যাট
• ২১ গ্রাম polyunsaturated ফ্যাট
• ১২ গ্রাম saturated ফ্যাট

সরিষা তেল ব্যবহারে চুল আদ্রতা ফিরে পায়। এর প্রাকৃতিক ফ্যাট চুলের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করে ও মসৃণ করে। চুলের অনেক রকমের সমস্যা যেমন – শুষ্ক চুল, ফ্ল্যাকি ও শুষ্ক স্ক্যাল্প, ফিজিনেস, চুলের আগা ফাটা, চুল ভেঙে যাওয়া, হিট ড্যামেজ, ওয়াটার ড্যামেজ ইত্যাদি দূর হয় সরিষা তেল ব্যবহারে।

সরিষা তেলে Capsacin সদৃশ উপাদান রয়েছে, আর Capsacin প্রদাহ এবং ব্যথার উপশম করে। এই কারণে সরিষা তেল মাথার ত্বকে হওয়া Dermatitis, Eczema, Psoriasis, Folliculitis রোগগুলো সারিয়ে তুলতে পারে।

খুশকি বিড়ম্বনার আরেক নাম। একবার যদি হয় যেতে চায় না সহজে। খুশকি দূর করতে সরিষা তেল বেশ কার্যকর। বিশেষ করে স্ক্যাল্পে যদি ইস্টের কারণে খুশকি হয় বা অ্যাকনে, পিম্পল হয় তবে তা নিমিষেই সারিয়ে তোলে সরিষা তেল। কারণ এতে অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল ও অ্যান্টি ফাংগাল গুণ রয়েছে।

সরিষা তেলে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড থাকায় এটি ইনফ্ল্যামেশনের বিরুদ্ধে কাজ করে। তাছাড়া চুলের গোড়া মজবুত করে এবং চুলকে ঘন করে। আর সরিষা তেল মাংসপেশির ব্যথাও সারিয়ে তুলতে সহায়ক।
গোসল করার ঘন্টা দুয়েক আগে সরিষা তেল লাগিয়ে শ্যাম্পু করুন। সপ্তাহে তিনদিন ব্যবহার করতে পারেন।

সরিষা তেল খান কিংবা ত্বক, চুলে ব্যবহার যাই করেন না কেন, উপকারই পাবেন ইন শা আল্লাহ। খাঁটি তেল খুঁজতে বেশি দূরে যেতে হবে না, কারণ হাতের কাছে সরোবর তো আছেই।

বিশেষ দ্রষ্টব্য: সরিষা তেল ত্বকে ব্যবহারের পূর্বে প্যাচ টেস্ট করে নিতে পারেন। সামান্য একটু তেল নিয়ে কানের লতির পেছনের দিকে লাগিয়ে দেখতে পারেন। যদি অস্বস্তি অনুভব করেন, কোনো ধরণের রিঅ্যাকশন দেখা যায় তাহলে ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন।

Share this post