Online Workshop On Criticism: From Pain to Power

একজন নতুন লেখক চাকরি পেয়েছেন পুরোন মাসিক পত্রিকাতে। দু-তিন মাস বেশ ভালো কাজ করার পরে একটা গুরুত্বপূর্ণ ফিচার লেখার দায়িত্ব পেলেন নবীন প্রদায়ক।
লেখাটাতে দু-একটা বানান ভুল ছিল, তা মেনে নেওয়া যায়, কিন্তু এমন একটা জায়গায় ছিল যে সব মানুষের চোখ ওখানে যাবে- সাব হেডিং এ। গেলও। মাসিক পত্রিকার সহ-সম্পাদক খুব কড়া একটা মেইল করলেন লেখককে, সাথে লেখকের বস সিসিতে।
সরাসরি বলা নেই, কিন্তু তাও মেইল পড়ার পরে নিজেকে কখনও ভেড়া, কখনও ছাগল কখনও বা বাছুর মনে হতে লাগলো নবীন লেখকের।
বস দেখতে পেলেন – নতুন ছেলেটার মন খারাপ।
উঠে আসলেন তিনি। হাতে মেইলটার একটা প্রিন্টেড কপি।
লেখকের কী-বোর্ডের উপর রাখলেন তিনি।
– পড়েছি স্যার।
পড়ার জন্য দিইনি।
– তাহলে?
– ছিড়ে ফেল কাগজটা।
অনর্থক প্রিন্ট – পরিবেশ দূষণ, ভাবল নতুন লেখক। কিন্তু বলতে সাহস পেল না। ছিড়ে ফেলল কাগজটা।
– আরো ছোট করো। টুকরো টুকরো।
কাগজ ছিড়তে ছিড়তে বেশ একটা মজা এসে গেল। আরো ছোট, আরো ছোট,আরো ছোট।
– মাঝে মাঝে পরিবেশের সামান্য ক্ষতি করে নিজের মনের পরিবেশকে রক্ষা করতে হয়।
– এবার বলো তো – কী কী ভুল ছিল তোমার লেখাতে।
– ……………………।
– চমৎকার। এই ভুলগুলো আর করো না। এরপর থেকে লেখা দুবার না, তিনবার চেক করে দেবে, দরকার হলে আমাকে জিজ্ঞেস করতে পারো কোনো শব্দে সন্দেহ থাকলে। মেইলের কথা ভুলে যাও, খালি মনে রেখ, লেখা যতদূর সম্ভব নির্ভুল হতে হবে।
সমালোচনাতে আমরা ভেঙে পড়ি।
কিন্তু সমালোচনাটাকে ভেঙে সেখান থেকে বড় হবার উপাদান নিলে কেমন হয়?
১৫ই অগাস্টে সরোবরের ওয়ার্কশপ – সমালোচনা: কষ্ট থেকে শক্তি – এ আমরা এই জিনিসটা শেখার চেষ্টা করব ইনশা আল্লাহ।
সময়ঃ সকাল সাড়ে দশটা থেকে সাড়ে বারোটা।
মাধ্যমঃ অনলাইন, জুম।
রিসোর্স পারসনঃ শরীফ আবু হায়াত অপু। চীফ মার্কেটিং অফিসার, সরোবর।
ওয়ার্কশপ ফিঃ ২০০ টাকা।
রেজিস্ট্রেশন লিঙ্ক

X