[vc_section css=”.vc_custom_1506424265574{margin-bottom: 50px !important;border-bottom-width: 1px !important;padding-top: 50px !important;padding-bottom: 50px !important;border-bottom-color: #dddddd !important;border-bottom-style: solid !important;}”][vc_row][vc_column width=”1/4″][vc_column_text css=”.vc_custom_1543835365632{padding-bottom: 25px !important;padding-left: 0px !important;}”]

Product Information

[/vc_column_text][/vc_column][vc_column width=”3/4″][vc_tta_accordion shape=”round” active_section=”-1″ no_fill=”true”][vc_tta_section title=”সাধারণ নারিকেল তেল আর ভারজিন নারিকেল তেলের মধ্যে পার্থক্য কি?” tab_id=”1543657444657-c995486b-4f19″][vc_column_text css_animation=”fadeIn”]পার্থক্য তৈরির পদ্ধতিতে এবং গুণগত মানে।

সাধারণ বা রিফাইনড নারিকেল তেল তৈরি হয় কোপরা বা শুকনো নারিকেল থেকে। ঝুনা নারিকেলকে লম্বা সময় ধরে রোদে এবং চুল্লির ওপরে শুকানো হয় যেন এতে পানির পরিমাণ কমে যায়। কোপরা শুকানোর সময় বেশ কিছু ময়লা এসে জমে। এই ময়লা পরিষ্কার করার জন্য কোপরা থেকে আহরিত তেল পরিশোধনের ব্লিচিং ক্লে ব্যবহৃত হয়। প্রাপ্ত তেলকে উচ্চ তাপমাত্রায় উত্তপ্ত করা হয় যেন নারিকেলের তীব্র গন্ধ এবং স্বাদটা আর তেলে না থাকে। তেল যেন নষ্ট না হয়ে যায় এজন্য তেলে ক্ষার সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড-ও মেশানো হয়।

অনেক সময়ই তেলের উৎপাদন বাড়ানোর জন্য কোপরার অবশিষ্টাংশ জৈব দ্রাবকে দ্রবীভূত করা হয়। এরপর প্রাপ্ত তেলে থেকে বিভিন্ন অনুপাতে লরিক এসিড পৃথক করে ফেলা হয়। লরিক এসিড ক্রিম-লোশন সহ বিভিন্ন প্রসাধনী বানাতে ব্যবহৃত হয়। লরিক এসিড সরিয়ে ফেললে যে তেলটা পাওয়া যায় তাকে লাইট কোকোনাট অয়েল বলে। লরিক এসিডযুক্ত রাসায়নিক প্রক্রিয়াজাত তেল হচ্ছে রেগুলার কোকোনাট অয়েল।

আনরিফাইনড বা ভার্জিন নারিকেল তেল হচ্ছে যেখানে কোপরার বদলে নারিকেলের তাজা শাস থেকে তেল তৈরি হয়। তাজা শাস থেকে দুভাবে তেল বানানো যায়ঃ

১। স্বল্প সময়ের জন্য শাসটি শুকিয়ে মেকানিকাল পদ্ধতিতে স্বল্প তাপ ব্যবহার করে মূলত চাপের সাহায্যে তেল নিষ্কাশন করা।

২। নারিকেল কুড়িয়ে সেখান থেকে তরল নারিকেলের দুধ বের করে সেটাকে সিদ্ধ করে, গাঁজন প্রক্রিয়ার সাহায্যে তেল নিষ্কাশন করা।

ভার্জিন নারিকেল তেলে কোনো ডি-অডরাইজার বা ব্লীচ ব্যবহৃত হয় না বলে নারিকেলের গন্ধ, স্বাদ এবং রং অটুট থাকে। এছাড়াও কৃত্রিম রাসায়নিক দ্রব্যাদি ব্যবহার হয় না বলে ভারজিন নারিকেল তেল ত্বক, চুল, এবং স্বাস্থ্যের জন্য নিরাপদ।[/vc_column_text][/vc_tta_section][vc_tta_section title=”টকপিতে এতো গন্ধ আর টেস্ট এমন কেন ?” tab_id=”1543653596119-3920d50e-a671″][vc_column_text]টকপিতে সাধারণত নিচের ব্যাকটেরিয়াগুলো থাকে যারা ফারমেনটেশন প্রক্রিয়াকে চালিয়ে নিয়ে যায়।

Lactobacillus plantarum, L. brevis, Leuconostoc mesenteroides, and L. Cucumeris.

এই ব্যাকটেরিয়াগুলোর কাজ এসেটিক এসিড তৈরি করা যা অন্যান্য ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়াকে জন্মাতে দেয় না। এই জন্যই টকপির স্বাদ টক।

টকপি রান্না করার আগে বা টকপির সালাদ বানানোর আগে একবার ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিন। টকের তীব্রতা চলে গিয়ে হালকা একটা টক স্বাদ থাকবে যা খেতে ভালোই লাগবে আশা করি। যদি আরো কম টক চান তবে আরো কয়েকবার ধুয়ে নিন।

টকপির ভালো ব্যাকটেরিয়া, যেগুলোর নাম আগে বলা হলো, সেগুলোর উপকারীতা পেতে চাইলে অবশ্য রান্না কম করে খাওয়াই ভালো।

টকপির গন্ধ থাকে ফারমেনটেশন প্রক্রিয়া যখন চলে তখন। অবায়বীয় প্রক্রিয়ায় উৎপন্ন গ্যাস বোতলের মুখ খুলে বের হয়ে যেতে দিলে আর গন্ধ লাগবে না। ফ্রিজে রাখলে ফারমেনটেশন প্রক্রিয়া বন্ধ হয়ে যাবে – আশা করা যায় এর পর আর বাজে গন্ধ থাকবে না।[/vc_column_text][/vc_tta_section][vc_tta_section title=”আপনাদের সুন্দরবন মধু এত পাতলা কেনো?” tab_id=”1543653596121-cd25f290-7d49″][vc_column_text]মধুর ঘনত্ব নির্ভর করে অনেক কিছুর ওপরে। এর মধ্যে ভৌগলিক অবস্থান অন্যতম। যেসব এলাকায় পানির পরিমাণ বেশি, যেমন হাওড়-বাওড় বা সুন্দরবন, সেখান থেকে সংগৃহীত মধুতে পানির পরিমাণ থাকে বেশি – তাই মধুটা কম ঘন মনে হয়। আবার শুষ্ক, মরুভূমি এলাকাতে মধুতে পানির পরিমাণ কম থাকে বলে সেখানকার মধু অনেক ঘন হয়।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কৃষিবিভাগ থেকে ৪৯০টি ফুলের প্রজাতির ওপরে করা এক গবেষণায় দেখা গেছে প্রাকৃতিক মধুতেই আর্দ্রতার পরিমাণ ১৩.৪ থেকে ২২.৩ শতাংশ পর্যন্ত হতে পারে। এছাড়াও একই গবেষণা থেকে দেখা গেছে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন এলাকায় মধুর গড় আর্দ্রতা বিভিন্ন হয়ে থাকে। এই বৈচিত্র্য আল্লাহর সৃষ্টি।[/vc_column_text][vc_single_image image=”3636″ img_size=”large” alignment=”center” style=”vc_box_rounded”][vc_column_text css=”.vc_custom_1543656983844{padding-top: 20px !important;}”]আমরা যেমন মধুতে পানি মেশাই না, তেমনি অন্য মধুকে সুন্দরবনের মধুর সাথে মিশিয়ে চালিয়েও দিই না। অন্যদিকে বেশি সময় ধরে উত্তপ্ত করলে হয়ত সুন্দরবনের মধুতেও ঘনত্ব বাড়ানো যাবে কিন্তু তাতে খাদ্যমান নষ্ট হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা আছে।

তাই আমাদের মধু প্রাকৃতিকভাবেই একটু হালকা/পাতলা হয়।[/vc_column_text][/vc_tta_section][vc_tta_section title=”কালোজিরা মধুর ঔষধি গুন কি?” tab_id=”1543656378586-687a700d-d2e5″][vc_column_text]কালোজিরা এবং মধুর ঔষধি গুণাগুণ সবাই জানেন। মধুর সাথে কালোজিরা মিশিয়ে খেলেও এর উপকারিতা অক্ষুণ্ণ থাকে বলে বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন। কিন্তু কালোজিরা ফুল থেকে সংগৃহীত মধুর আলাদা কোনো গুণ বিজ্ঞান দিয়ে প্রমাণিত আছে বলে আমাদের জানা নেই।

তবে এ মধুটা বেশ ঘন এবং ঠান্ডার চিকিৎসায় বেশ কাজে লাগে বলে ব্যবহারকারীরা আমাদের জানিয়েছেন। তবে এটা শুধুই অভিজ্ঞতা, কোনো প্রমাণিত, পরীক্ষিত কোনো উপাত্ত নয়।[/vc_column_text][/vc_tta_section][vc_tta_section title=”ভারজিন অলিভ অয়েল আর সাধারণ অলিভ অয়েল এর পার্থক্য কি?” tab_id=”1543657264020-4aee70e3-c56c”][vc_column_text]পার্থক্য তৈরির পদ্ধতিতে এবং গুণগত মানে। সরোবরের এক্সট্রা ভার্জিন অলিভ ওয়েল কোল্ড প্রেসড, অর্থাৎ এটা শুধুমাত্র মেকানিকাল উপায়ে চাপ ব্যবহার করে তেল নিষ্কাশন করা হয়। সাধারণ অলিভ ওয়েলে মেকানিকাল উপায়ের সাথে তাপ ও চাপ ব্যবহার করে তেল নিষ্কাশন করা হয়। এরপরে বিভিন্ন কেমিক্যাল ব্যবহার করে তেলটাকে প্রক্রিয়াজাত করা হয় যেন ওলিভ ওয়েলের স্বাদ, গন্ধ এবং রংটা না থাকে। এটাকে রেগুলার বা লাইট ভার্জিন অয়েল-ও বলে।

অন্যদিকে ভার্জিন অলিভ অয়েলের রং হয় সবুজাভ, গন্ধে যাইতুনের ছাপ থাকে স্পষ্ট, আর স্বাদেও কাচা-পাকা যায়তুনের ছাপ মেলে। তাপ এবং রাসায়নিক প্রভাবমুক্ত থাকার ফলে ভার্জিন অলিভ অয়েলে প্রাকৃতিক গুণাবলী যেমন ফেনোলিক অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামাটরি, এবং অন্যান্য স্বাস্থ্যকর উপাদানগুলো অটুট থাকে।[/vc_column_text][vc_single_image image=”3643″ img_size=”large” alignment=”center” style=”vc_box_rounded”][/vc_tta_section][vc_tta_section title=”মরিচের গুঁড়ায় বোঁটা মেশানো হয় কেন এবং এটি স্বাস্থ্যের জন্য কতটুক উপযোগী?” tab_id=”1543657869532-8b8a9391-fd4c”][vc_column_text]মরিচের গুঁড়ায় বোঁটা মেশানো হয় না বরং বোঁটা মরিচের অংশ। পাকা মরিচ শুকানোর সময় বোঁটাসহ শুকাতে হয় নয়ত নষ্ট হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। মরিচ শুকানোর পরে ভাঙানোর আগে বোঁটা ফেলে দেওয়া একটি কষ্টসাধ্য এবং খরচসাপেক্ষ কাজ। এছাড়াও বোঁটা ফেলে দিলে মরিচের পরিমাণ এক তৃতীয়াংশ থেকে এক চতুর্থাংশ কমে যায়।

এসব কারণে ‘হারিফ’-এ বোঁটা না ছাড়িয়েই মরিচ গুড়া করা হয়।

মরিচের বোঁটা মূলত সেলুলোজ, হেমিসেলুলোজ এবং পেকটিন। এগুলো উদ্ভিদের কোষের-ই অংশ। এতে স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর কিছু নেই। তবে যদি বোঁটা ফেলে দেওয়া হয় তবে ঝালের পরিমাণ অনেক বেড়ে যাবে।[/vc_column_text][/vc_tta_section][vc_tta_section title=”রাসুল (সাঃ) যবের ছাতু খেতে বলেছেন কিন্তু আপনা তালবিনায় তো যবের পাশাপাশি অন্যান্য উপাদান মেশান এতে কি যবের ঔষধি গুনাগুন থাকবে অথবা নাম রাখার ক্ষেত্রে কি বলেন?” tab_id=”1543911348997-5eb896f8-0ce3″][vc_column_text]আমরা তালবিনা খাবারটার নামকরণ করেছি রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের আমলে প্রচলিত একটা আরব খাবার তালবিনার নামানুসারে। তবে আমাদের তালবিনা দিয়ে সেই তালবিনা রান্না করা সহজ হলেও আমাদের তালবিনা হুবুহু সেই তালবিনা নয়।

তালবিনার মূল উপাদান যব এবং খাবারটা বিশেষ সুস্বাদু নয়। তাইতো আমরা দেখিঃ

আয়িশাহ হতে বর্ণিত যে, তিনি তালবীনা খেতে আদেশ দিতেন এবং বলতেনঃ এটি হল অপছন্দনীয়, তবে উপকারী। ([৫৪১৭] আধুনিক প্রকাশনী- ৫২৭৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১৭৫)

তাই সে সময়েও তালবিনা অন্যান্য খাবারের সাথে মিশিয়ে খাওয়া হতো। যেমন, নিচের হাদিস থেকে আমরা দেখতে পাই তালবিনা রান্না করার পরে আটা ও গোশত দিয়ে তৈরি সারিদের সাথে মিশিয়ে খাওয়ার কথা আছেঃ

নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর স্ত্রী আয়িশাহ (রাঃ)হতে বর্ণিত যে, তাঁর পরিবারের কোন ব্যক্তি মারা গেলে মহিলারা এসে জড় হলো। তারপর তাঁর আত্মীয়রা ও বিশেষ ঘনিষ্ঠ মহিলারা ব্যতীত বাকী সবাই চলে গেলে, তিনি ডেগে ‘তালবীনা’ আটা, মধু ইত্যাদি দিয়ে তৈরি খাবার) পাক করতে বললেন। তা পাকানো হলো। এরপর ‘সারীদ’ (গোশতের মধ্যে রুটির টুকরো দিয়ে তৈরী খাবার) প্রস্তুত করা হলো এবং তাতে তালবীনা ঢালা হলো। তিনি বললেনঃ তোমরা এ থেকে খাও। কারণ, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে বলতে শুনেছি যে, ‘তালবীনা’ রুগ্ন ব্যক্তির হৃদয়ে প্রশান্তি আনে এবং শোক দুঃখ কিছুটা দূর করে। ([৫৬৮৯, ৫৬৯০; মুসলিম ৩৯/৩০, হাঃ ২২১৬, আহমাদ ২৫২৭৪] আধুনিক প্রকাশনী- ৫০১৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৯১০)

তাই, আমাদের তালবিনা হুবুহু সেই তালবিনা নয় এবং আমরা সেটা দাবীও করছি না। আমরা তালবিনাতে যবের ছাতুর সাথে ছোলা এবং চালের ছাতু মেশাই যেন খাবারটি সহজেই পানি, মধু বা ফলের রস মাখিয়ে খাওয়া যায় – রান্নার দরকার ছাড়াই। তালবিনাকে সুস্বাদু করার এই প্রচেষ্টা খাবারটির মানের কোনো অবনমন করে না বলেই আমাদের বিশ্বাস। গত তিন বছর ধরে এর ব্যবহারকারীরাও তালবিনার সুফলের কথা আমাদের জানিয়েছেন।[/vc_column_text][/vc_tta_section][vc_tta_section title=”হেয়ারফুডের কারখানা কোথায়?” tab_id=”1543657969715-6967807b-a582″][vc_column_text css_animation=”fadeIn”]ঢাকাতে।[/vc_column_text][/vc_tta_section][vc_tta_section title=”পেয়ারা জেলী এত কম করেন কেন ?” tab_id=”1543657973483-72e25778-3157″][vc_column_text css_animation=”fadeIn”]আমরা এখনও খাবার বানানোকে শিল্প-কারখানায় নিইনি। যেহেতু খাবারগুলো ঘরেই বানানো হয় এবং তাজা ফল, শস্য থেকে বানানো হয় তাই বাজারে আমদানির ওপরে আমাদের বেশ খানিকটা নির্ভর করতে হয়। অন্য দিকে একেকটা ব্যাচে ৩০ কেজি এর বেশি পেয়ারা জাল দেওয়া যায় না। দেশি পেয়ারা জাল দিয়ে শুধুমাত্র রসটুকু নিয়ে তাতে চিনি এবং লেবু মিশিয়ে আমরা জেলি তৈরি করি। এই প্রক্রিয়ার উৎপাদন ক্ষমতা কম।[/vc_column_text][/vc_tta_section][vc_tta_section title=”মধুর বোতলে পিঁপড়া কেন?” tab_id=”1543657976231-fdde311f-c13d”][vc_column_text css_animation=”fadeIn”]এই প্রশ্নের উত্তর জানতে হলে আমাদের পিঁপড়েদের ব্যাপারে কিছু জানতে হবে।[/vc_column_text][vc_single_image image=”3648″ img_size=”large” alignment=”center”][vc_column_text css=”.vc_custom_1543658591869{padding-top: 20px !important;}”]পিঁপড়েরা আমাদের মতই। তাদেরও আমাদের মতো শর্করা, আমিষ, তেল, ভিটামিন ইত্যাদি লাগে। আপনি যখন দেখেন একটা মরা তেলাপোকাকে পিঁপড়েরা নিয়ে যাচ্ছে, এটা আপনার ঘর পরিষ্কার করার জন্য না, ওদের পেট ভরানোর জন্য! তবে শুধু নিজেদের নয়। এরা সামাজিক প্রাণী। এরা কলোনীর ধাঁচের বাসা বানিয়ে সেখানে থাকে। বাসায় ছোট বাচ্চা পিঁপড়ে থাকে, অসুস্থ পিঁপড়ে থাকে, রাণী পিঁপড়ে থাকে। কর্মী পিঁপড়েদের যখন আমরা ইতস্তত  ঘুরতে দেখি সেটা না যতটা নিজের পেট ভরানোর তাগিদে তারচেয়ে বেশি ঘরের পিঁপড়েদের জন্য।

তো পিঁপড়েরা যখন কলোনিতে খাবার নিয়ে যায় তখন চিন্তা করে কোনটা নেওয়া সহজ, কোনটা নিলে লাভ বেশি। যেমন একটা দানা ভাতে যতটা শর্করা থাকে তার চেয়ে বেশি থাকে সমপরিমাণ চিনিতে। যত বেশি মিষ্টি তত বেশি শক্তি তত বেশি লাভ।

পিঁপড়েরা তাদের ভরের ১০-৫০ গুণ বেশি ভারী জিনিস বহন করতে পারে। খাবার জিনিসটা কঠিন হলে তারা দাঁত দিয়ে কামড়ে, ঘাড়ে করে নিয়ে যায় ঘরে। কিন্তু যদি তরল হয়, যেমন ফুলের রস কিংবা চিনিপানি তবে তারা সেটা গিলে পাকস্থলি ভরে ফেলে কলোনীতে ফিরে যায়। ফিরে তরলটা উগড়ে অন্যদের খাইয়ে দেয়।

এবার আসি মধুর ব্যাপারে। মধু যেহেতু শক্তির ভালো উৎস, সুক্রোজ থাকায়,  পিঁপড়ে মধু খাবেই। তবে সমস্যা হচ্ছে ঘন মধু যাতে কিনা ২০% এর কম পানি থাকে, খাওয়া পিঁপড়েদের জন্য ভারী সমস্যার। খাবে কী, বরং অত ঘন মধুতে ওরা আটকে যায়।

তবে পিঁপড়েরা অত সহজে  হাল ছেড়ে দেয় না। মধুর একটা বৈশিষ্ট্য হচ্ছে ১৮.৮ শতাংশের চেয়ে কম আর্দ্রতার মধু বাতাস থেকে পানি শোষণ করে। যেই মধু একটু পাতলা হয় সেই পিঁপড়েরা এসে মধুর কিনার থেকে লঘু মধু পেটে করে চুরি করে নিয়ে যায়। আপনি যদি মধু চুরি দৃঢ় হাতে প্রতিরোধ করতে চান তো মধু সাবধানে নেবেন যেন বোতলের গায়ে না লাগে আর  মধু নেবার পরে বোতল ভালোভাবে মুছে রাখবেন।[/vc_column_text][/vc_tta_section][vc_tta_section title=”ওয়েব সাইটে কুপন অপশন রাখা হয়েছে কেন?” tab_id=”1543657978307-ffb0c85e-4020″][vc_column_text css_animation=”fadeIn”]আমরা আমাদের নিয়মিত ক্রেতাদের সম্মান জানানোর জন্য ভবিষ্যতে কিছু কুপনিং এর ব্যবস্থা করব যাতে তারা ছাড়ে কেনাকাটা করতে পারেন। এজন্য ওয়েবসাইটে কুপন অপশন রাখা হয়েছে।[/vc_column_text][/vc_tta_section][vc_tta_section title=”আরথ্রাইটিস এর চিকিৎসায় আপনাদের কোন কোন পণ্য ব্যবহার করা যায়?” tab_id=”1543657980751-4ee0150b-ac1c”][vc_column_text]

  • ব্যাথার স্থানে যায়তুনের তেল মালিশ করা।

  • এক ভাগ মধুর সাথে দুই ভাগ পানিয়ে মিশিয়ে এক চা চামচ দারুচিনির গুড়া মিশিয়ে ব্যাথার স্থানে মালিশ করা।

  • প্রতিদিন সকাল ও রাতে এক কাপ মৃদু গরম পানিতে দু টেবল চামচ মধু এবং এক চা চামচ দারুচিনির গুড়া মিশিয়ে পান করুন।

  • এগুলোর বাইরে এলোভেরা/ঘৃতকুমারী পাতার মধ্যের রসালো অংশ ব্যাথার স্থানে মালিশ করতে পারেন।

[/vc_column_text][/vc_tta_section][vc_tta_section title=”জলপাই গুড়া এর উপকারিতা কি?” tab_id=”1543835979216-ebd82dc1-6950″][/vc_tta_section][vc_tta_section title=”মিল্ক তালবিনাতে কোন দুধ ব্যবহার করা হয়েছে, লো-ফ্যাট নাকি ফুল ক্রিম ?” tab_id=”1543836133377-685c7856-3e87″][/vc_tta_section][vc_tta_section title=”আপনাদের যায়তুনের তেল কি অলিভ ওয়েল নাকি যায়তুনের তেল? যতদূর জানি অলিভ ওয়েল মানে জলপাইয়ের তেল।” tab_id=”1543836136451-89eab047-db72″][vc_column_text]অলিভ ওয়েল / জলপাইয়ের তেল / যায়তুনের তেল একই জিনিস। তবে সব যায়তুন/জলপাই থেকে তেল হয় না। জাত ভেদে কিছুটা তারতম্য হয়। যায়তুন এর বৈজ্ঞানিক নাম – Olea europaea এবং দেশি জলপাই এর বৈজ্ঞানিক নাম – Elaeocarpus serratus[/vc_column_text][/vc_tta_section][vc_tta_section title=”মিল্ক তালবিনাতে কি নরমাল তালবিনার সকল পুষ্টিগুন পাওয়া যাবে?” tab_id=”1543836139031-7bdb2c40-ed5c”][/vc_tta_section][vc_tta_section title=”নারিকেল তেল পরিস্কার ছিল না, কিছু ময়লা (dirt) পেয়েছি ?” tab_id=”1543836912896-6d4698fe-7d52″][vc_column_text]আমরা আমাদের নারিকেল তেল কোন রুপ রাসায়নিক দ্বারা রিফাইন করি না। তাই নারিকেল তেলের বোতলের তলানিতে কিছু টা সেডীমেন্ট পরতে পারে।[/vc_column_text][/vc_tta_section][vc_tta_section title=”আপনাদের যায়তুনের তেল বাচ্চার গায়ে দেয়া যাবে নাকি শুধু মাত্র খাওয়ার জন্য?” tab_id=”1543836916656-31963a7e-9d1f”][vc_column_text]আলহামদুলিল্লাহ। আমাদের যায়তুনের তেল বাচ্চার গায়ে দেয়া যাবে এবং খাওয়া যাবে। ইনশাআল্লাহ।[/vc_column_text][/vc_tta_section][vc_tta_section title=”আপনাদের একুয়াপনিক্স এর জন্য আপনারা কত ওয়াট এর মটর ব্যবহার করেন?” tab_id=”1543837060719-f9c36eef-9483″][/vc_tta_section][vc_tta_section title=”একুয়াপনিক্স দিয়ে বানিজ্যিকভাবে মাছ চাষ কতটা লাভজনক?” tab_id=”1543837143361-3eda7d4b-84b5″][/vc_tta_section][/vc_tta_accordion][/vc_column][/vc_row][/vc_section][vc_section css=”.vc_custom_1506424265574{margin-bottom: 50px !important;border-bottom-width: 1px !important;padding-top: 50px !important;padding-bottom: 50px !important;border-bottom-color: #dddddd !important;border-bottom-style: solid !important;}”][vc_row][vc_column width=”1/4″][vc_column_text css=”.vc_custom_1545464796804{padding-bottom: 25px !important;padding-left: 0px !important;}”]

Payment Information

[/vc_column_text][/vc_column][vc_column width=”3/4″][vc_tta_accordion shape=”round” active_section=”-1″ no_fill=”true”][vc_tta_section title=”পণ্য বুঝে পেতে কত দিন সময় লাগে?” tab_id=”1545464774436″][vc_column_text][/vc_column_text][/vc_tta_section][vc_tta_section title=”কিভাবে আমার পণ্যটি আমি বুঝে পাব?” tab_id=”1545464998644-13313699-a2cc”][vc_column_text][/vc_column_text][/vc_tta_section][vc_tta_section title=”কোন কোন পদ্ধতিতে আমি আমার পণ্যের মূল্য পরিশোধ করতে পারব?” tab_id=”1545465073573-70bdb6e2-f497″][vc_column_text][/vc_column_text][/vc_tta_section][vc_tta_section title=”আপনারা কি দেশের বাহিরে পণ্য পাঠানোর ব্যবস্থা করে থাকেন?” tab_id=”1545465211355-ddc50a9c-4cb5″][vc_column_text][/vc_column_text][/vc_tta_section][vc_tta_section title=”আপনারা কি দেশের বাহিরে পণ্য পাঠানোর ব্যবস্থা করে থাকেন?” tab_id=”1545465318814-b1bdc5ee-cdb5″][vc_column_text][/vc_column_text][/vc_tta_section][/vc_tta_accordion][/vc_column][/vc_row][/vc_section][vc_section css=”.vc_custom_1506434935594{padding-bottom: 50px !important;}”][vc_row][vc_column width=”1/4″][vc_column_text css=”.vc_custom_1506426864145{padding-bottom: 25px !important;padding-left: 0px !important;}”]

Orders & Returns

[/vc_column_text][/vc_column][vc_column width=”3/4″ css=”.vc_custom_1506434972820{margin-bottom: 0px !important;padding-bottom: 0px !important;}”][vc_tta_accordion shape=”round” active_section=”-1″ no_fill=”true”][vc_tta_section title=”পণ্য ক্রয়ের পদ্ধতিটি কি?” tab_id=”1545465376536-f15b9a7c-570f”][vc_column_text][/vc_column_text][/vc_tta_section][vc_tta_section title=”পণ্য ক্রয়ের ক্ষেত্রে সাইটে একাউন্ট থাকা কি বাধ্যতামূলক?” tab_id=”1545465376648-dd8625d1-6197″][vc_column_text][/vc_column_text][/vc_tta_section][vc_tta_section title=”আমার কোন কিছু জানার থাকলে আমি কার সাথে যোগাযোগ করব?” tab_id=”1545465376736-adcd721e-ef65″][vc_column_text][/vc_column_text][/vc_tta_section][vc_tta_section title=”আমি কিভাবে আমার অর্ডারকৃত পণ্য বাতিল অথবা পরিবর্তন করব?” tab_id=”1545465376819-5e130c97-4b06″][vc_column_text][/vc_column_text][/vc_tta_section][vc_tta_section title=”ক্রয়কৃত পণ্য ফেরতের কি কোন সুযোগ আছে?” tab_id=”1545465376921-bde778a0-2e4d”][vc_column_text][/vc_column_text][/vc_tta_section][vc_tta_section title=”আমার অর্ডারক্রিত পণ্যের বর্তমান অবস্থান জানার কি কোন সুযোগ আছে?” tab_id=”1545465377017-b8066284-cd76″][vc_column_text][/vc_column_text][/vc_tta_section][/vc_tta_accordion][/vc_column][/vc_row][/vc_section]